ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র নদীর পাড়ে ছোট একটি মুদির দোকান চালান রাফি। বয়স ২৮। ক্রিকেট তার রক্তে — বাংলাদেশ দলের প্রতিটি ম্যাচ তিনি মিস করেন না। কয়েক বছর আগে বন্ধুর কাছে bgk222 এর কথা প্রথম শুনেছিলেন, কিন্তু সাহস করে নামতে পারেননি। ভাবতেন, এটা বুঝি শুধু বড়লোকদের খেলা।
একদিন IPL চলাকালীন বন্ধুকে bgk222 থেকে ৳৪,০০০ উইথড্রয়াল করতে দেখে মনে সাহস আসে। নিজেই নিবন্ধন করেন, প্রথমে মাত্র ৳৫০০ ডিপোজিট করেন। প্রথম সপ্তাহ শুধু দেখেন কীভাবে অডস কাজ করে, ইন-প্লে মার্কেট কীভাবে বদলায়, কখন ভ্যালু বেটের সুযোগ আসে।
"আমি প্রথমে শুধু পর্যবেক্ষণ করেছি। টাকা না লাগিয়ে শুধু দেখেছি কোন টিম কখন কম রেটে থাকে অথচ জেতার সম্ভাবনা বেশি। bgk222 এর ইন্টারফেস এত সহজ যে বুঝতে অসুবিধা হয়নি।"
— রাফি, ময়মনসিংহরাফির কৌশল যেভাবে কাজ করেছিল
রাফি মূলত T20 ক্রিকেটের ইন-প্লে বেটিংয়ে মনোযোগ দেন। তার মূল কৌশল ছিল পাওয়ারপ্লের প্রথম ৩ ওভার দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া। যদি কোনো দল পাওয়ারপ্লেতে ভালো শুরু পায়, তখন অপর দলের অডস বেড়ে যায় — সেই মুহূর্তে তিনি সেই দলের উপর ছোট স্টেকে বাজি ধরতেন। কারণ T20 তে ম্যাচ যেকোনো সময় ঘুরতে পারে।
প্রতি সপ্তাহে ৳২,০০০ এর বেশি বাজি ধরতেন না। স্টেক ম্যানেজমেন্ট ছিল তার সবচেয়ে বড় শক্তি। একটি ম্যাচে হারলে সেটা পুষিয়ে নিতে পরের ম্যাচে বেশি দাঁও দেওয়ার ভুলটা তিনি কখনো করেননি। তিন মাস পর যখন হিসাব করলেন, দেখলেন মোট ৳১৮,৪০০ লাভ হয়েছে।
পর্যবেক্ষণ পর্যায়
কোনো বাজি না ধরে শুধু মার্কেট পর্যবেক্ষণ। অডস মুভমেন্ট বোঝার চেষ্টা।
ছোট স্টেকে শুরু
প্রতি বাজিতে ৳১০০–২০০। হার-জিত দুটোই হয়েছে, কিন্তু প্যাটার্ন বোঝা শুরু হয়েছে।
কৌশল পরিপক্ক হওয়া
ইন-প্লে বেটিংয়ে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত। সাপ্তাহিক লাভ ধারাবাহিক হতে শুরু করে।
মোট লাভ ৳১৮,৪০০
নিয়মিত উইথড্রয়াল শুরু। bgk222 থেকে বিকাশে তাৎক্ষণিক পেমেন্ট পেয়েছেন।